নিউজলেটার · অক্টোবর ২০২৬

একজন শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ান, বদলে দিন একটি জীবন।

২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হৃদয়ে বাংলাদেশ মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে প্রতিভা ও আর্থিক সংকটের দূরত্ব ঘোচায়।

আমাদের সম্পর্কে

আমরা কাদের সহায়তা করি

প্রতি বছর ১০০-র বেশি শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে আছে অটিজমে আক্রান্ত নিউরোডাইভার্জেন্ট শিশু ও বস্তির কিশোর-কিশোরী, প্রাথমিক স্কুল থেকে শীর্ষস্থানীয় উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত।

প্রমাণিত অর্জন

এ পর্যন্ত আমরা ১,৫০০-র বেশি শিক্ষার্থী ও একাধিক স্কুলকে সহায়তা করেছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে পড়ছে।

সর্বোচ্চ অনুদান-দক্ষতা

সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবকদের দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় আমাদের পরিচালন ব্যয় ১%-এর নিচে, ফলে আপনার অনুদানের ১০০% সরাসরি একজন শিক্ষার্থীর পড়াশোনায় যায়।

আমরা যেভাবে প্রভাব রাখছি

01

উচ্চ বিদ্যালয়ের বৃত্তি (নবম–দশম শ্রেণি)

জেএসসিতে ভালো করা, আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা-উপকরণ দিয়ে সহায়তা।

02

স্নাতকের স্বপ্ন

এসএসসি ও এইচএসসিতে অসাধারণ ফল করা শিক্ষার্থীদের আর্থিক ও সামাজিক বাধা পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে সহায়তা।

03

মেডিকেল শিক্ষার্থী কর্মসূচি

নিম্ন আয়ের পরিবারের ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের কঠিন পথচলায় মেডিকেলের বই, টিউশন ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের উচ্চ খরচ মেটাতে সহায়তা।

04

স্বপ্নধারা স্কুল: বস্তির শিশুদের শিক্ষা

ঢাকাভিত্তিক এই প্রকল্প কাছাকাছি বস্তির শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা গড়ে তোলে।

আমাদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিচিত হোন

তারা উচ্চ বিদ্যালয়ে থাকার সময় থেকেই আমরা তাদের পাশে আছি। এখন তারা স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্দান্ত করছে, আমরা গর্বিত। তাদের অসাধারণ পথচলায় পাশে থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত।

“জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাল্টিমিডিয়া ইউনিট (জেএনএমইউ) প্রতিষ্ঠা থেকে মানবজমিনের প্রতিবেদক হওয়া পর্যন্ত আমার সাংবাদিকতার পথ চলেছে ভালোবাসা দিয়ে। মায়ের স্বপ্ন পূরণে এখন পুরোদমে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি। নদীভাঙনে আমার পরিবার বিধ্বস্ত হওয়ার পর হৃদয়ে বাংলাদেশের আর্থিক সহায়তা আমার পড়াশোনাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।”

আল-মামুনগণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, ৩য় বর্ষ, ১ম সেমিস্টার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

“এইচএসটিইউর মৎস্য বিজ্ঞানের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে আমি সবসময় ভালো ফল ধরে রেখেছি। কিন্তু তৃতীয় বর্ষে হঠাৎ অসুস্থতায় টিউশন বন্ধ করতে হয়, ফলে পড়াশোনা ঝুঁকিতে পড়ে। হৃদয়ে বাংলাদেশের বৃত্তি আমাকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার এবং লক্ষ্যে পৌঁছানোর আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এই কঠিন সময় পেরোনো আমার সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি, এবং আমার মতো শিক্ষার্থীদের শক্তি জোগানোর জন্য আমি হৃদয়ে বাংলাদেশের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।”

মোছা. ফাহমিদা খাতুনমৎস্য বিজ্ঞান, ৪র্থ বর্ষ, ১ম সেমিস্টার, এইচএসটিইউ

“কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠায় আমি গর্বের সঙ্গে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছি। হৃদয়ে বাংলাদেশের বৃত্তি আমার পরিবারের আর্থিক চাপ অনেকটা কমিয়েছে এবং পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে সাহায্য করেছে। এই সহায়তা আমাকে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পড়তে এবং ভবিষ্যতের লক্ষ্যে এগোতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।”

মো. আরাফাত মাহমুদএইচএসসি ২০২৬

“আমি এখন নবম শ্রেণির পরীক্ষা দিচ্ছি। বগুড়ায় থেকে পড়াশোনা করা আমার পরিবারের জন্য বড় আর্থিক বোঝা, মৌলিক খরচ ও প্রাইভেট টিউশনের টাকা জোগানো কঠিন। আপনাদের মাসিক বৃত্তি আমার টিউশনের খরচ মিটিয়ে বড় সহায়তা দিচ্ছে। দশম শ্রেণির পর ভালো কলেজে ভর্তি হয়ে একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়াই আমার লক্ষ্য। আপনাদের সহায়তার জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং আমার ভবিষ্যতের জন্য দোয়া চাই।”

রোকাইয়া সিনহানবম শ্রেণি, ইয়াকুবিয়া গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বগুড়া

উদার হাতে অনুদান দিন

পেপ্যালে অনলাইনে দিন অথবা চেক পাঠান। আপনার অনুদান সরাসরি একজন শিক্ষার্থীর পড়াশোনায় যায়।