সাফল্যের গল্প

আমাদের শিক্ষার্থীদের গল্প

প্রতিটি বৃত্তি একজন সত্যিকারের শিশুর সত্যিকারের স্বপ্ন। তাদের কয়েকজনের গল্প এখানে।

“নদীভাঙনে আমার পরিবার বিধ্বস্ত হওয়ার পর হৃদয়ে বাংলাদেশের আর্থিক সহায়তা আমার পড়াশোনাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাল্টিমিডিয়া ইউনিট (জেএনএমইউ) প্রতিষ্ঠা থেকে মানবজমিনের প্রতিবেদক হওয়া পর্যন্ত আমার সাংবাদিকতার পথ চলেছে ভালোবাসা দিয়ে। মায়ের স্বপ্ন পূরণে এখন পুরোদমে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।

আল-মামুনগণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, ৩য় বর্ষ · জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

“এই কঠিন সময় পেরোনো আমার সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি।”

আমি সবসময় ভালো ফল ধরে রেখেছি, কিন্তু তৃতীয় বর্ষে হঠাৎ অসুস্থতায় টিউশন বন্ধ করতে হয় এবং পড়াশোনা ঝুঁকিতে পড়ে। হৃদয়ে বাংলাদেশের বৃত্তি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া ও লক্ষ্যে পৌঁছানোর আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।

মোছা. ফাহমিদা খাতুনমৎস্য বিজ্ঞান, ৪র্থ বর্ষ · হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (এইচএসটিইউ)

“এই সহায়তা আমাকে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পড়তে এবং ভবিষ্যতের লক্ষ্যে এগোতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।”

কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠায় আমি গর্বের সঙ্গে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছি। হৃদয়ে বাংলাদেশের বৃত্তি আমার পরিবারের আর্থিক চাপ অনেকটা কমিয়েছে এবং পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে সাহায্য করেছে।

মো. আরাফাত মাহমুদএইচএসসি ২০২৬

“আপনাদের মাসিক বৃত্তি আমার টিউশনের খরচ মিটিয়ে বড় সহায়তা দিচ্ছে।”

বগুড়ায় থেকে পড়াশোনা করা আমার পরিবারের জন্য বড় আর্থিক বোঝা। দশম শ্রেণির পর ভালো কলেজে ভর্তি হয়ে একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়াই আমার লক্ষ্য। আপনাদের সহায়তার জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং আমার ভবিষ্যতের জন্য দোয়া চাই।

রোকাইয়া সিনহানবম শ্রেণি, ইয়াকুবিয়া গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ · বগুড়া

একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সাহায্য করুন

যেকোনো পরিমাণ অনুদান একটি মেধাবী শিশুকে শ্রেণিকক্ষে রাখে।