এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে সহায়তা
আর্থিকভাবে অসচ্ছল এসএসসি পরীক্ষার্থীরা যেন রেজিস্ট্রেশন (ফরম পূরণ) ফি দিতে পারে, সেজন্য তহবিল সংগ্রহ। এই ফি বিশাল বোঝা হয়ে অনেককে মাঝপথে পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য করে।
হৃদয়ে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়, যেন পরিস্থিতি নয়, প্রতিভাই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।
উচ্চ বিদ্যালয়ের শুরু থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত, যাদের ফলাফল ভালো কিন্তু পরিবার অসহায়, আমরা তাদের পাশে আছি।
আর্থিকভাবে অসচ্ছল এসএসসি পরীক্ষার্থীরা যেন রেজিস্ট্রেশন (ফরম পূরণ) ফি দিতে পারে, সেজন্য তহবিল সংগ্রহ। এই ফি বিশাল বোঝা হয়ে অনেককে মাঝপথে পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য করে।
জেএসসি পরীক্ষায় ভালো করা শিক্ষার্থীরা যেন আর্থিক দুশ্চিন্তা ছাড়াই নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়তে পারে।
আমরা ঢাকাভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা স্বপ্নধারার সঙ্গে কাজ করি, যারা বস্তির শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা এবং মুদির প্যাকেট ও হস্তশিল্প তৈরির মতো বৃত্তিমূলক দক্ষতা শেখায়। স্কুলে আসতে উৎসাহ দিতে খাবার দেওয়া হয়।
এসএসসিতে ভালো ফল করা শিক্ষার্থীরা যেন আর্থিক চাপ ছাড়াই কলেজ শেষ করতে পারে।
বাংলাদেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি।
এসএসসি ও এইচএসসিতে ভালো ফল করেও স্নাতক পর্যায়ের খরচ চালাতে হিমশিম খাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা।
নিম্ন আয়ের পরিবারের যে মেধাবীরা চিকিৎসক হতে চায়, তাদের কঠিন পথচলায় মেডিকেলের বই, টিউশন ফি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের উচ্চ খরচ মেটাতে সহায়তা।
স্বেচ্ছাসেবকরা ভালো ফলাফল করা কিন্তু পরবর্তী ধাপের খরচ চালাতে অক্ষম শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে।
একজন শিক্ষার্থী বা কর্মসূচি বেছে নিন। আপনার অনুদান প্রায় পুরোটাই শিক্ষায় ব্যয় হয়।
শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা চালিয়ে যায়, স্নাতক হয় এবং পরিবার ও সমাজকে এগিয়ে নেয়।
“নদীভাঙনে আমার পরিবার বিধ্বস্ত হওয়ার পর হৃদয়ে বাংলাদেশের আর্থিক সহায়তা আমার পড়াশোনাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।”
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাল্টিমিডিয়া ইউনিট (জেএনএমইউ) প্রতিষ্ঠা থেকে মানবজমিনের প্রতিবেদক হওয়া পর্যন্ত আমার সাংবাদিকতার পথ চলেছে ভালোবাসা দিয়ে। মায়ের স্বপ্ন পূরণে এখন পুরোদমে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।
“এই কঠিন সময় পেরোনো আমার সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি।”
আমি সবসময় ভালো ফল ধরে রেখেছি, কিন্তু তৃতীয় বর্ষে হঠাৎ অসুস্থতায় টিউশন বন্ধ করতে হয় এবং পড়াশোনা ঝুঁকিতে পড়ে। হৃদয়ে বাংলাদেশের বৃত্তি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া ও লক্ষ্যে পৌঁছানোর আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।
“এই সহায়তা আমাকে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পড়তে এবং ভবিষ্যতের লক্ষ্যে এগোতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।”
কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠায় আমি গর্বের সঙ্গে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছি। হৃদয়ে বাংলাদেশের বৃত্তি আমার পরিবারের আর্থিক চাপ অনেকটা কমিয়েছে এবং পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে সাহায্য করেছে।
“আপনাদের মাসিক বৃত্তি আমার টিউশনের খরচ মিটিয়ে বড় সহায়তা দিচ্ছে।”
বগুড়ায় থেকে পড়াশোনা করা আমার পরিবারের জন্য বড় আর্থিক বোঝা। দশম শ্রেণির পর ভালো কলেজে ভর্তি হয়ে একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়াই আমার লক্ষ্য। আপনাদের সহায়তার জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং আমার ভবিষ্যতের জন্য দোয়া চাই।
হৃদয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি সদস্য স্বেচ্ছায় সময় দেন। তাই আমাদের পরিচালন ব্যয় ১%-এর নিচে।
২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হৃদয়ে বাংলাদেশ মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে প্রতিভা ও আর্থিক সংকটের দূরত্ব ঘোচায়।
যেকোনো পরিমাণ অনুদান একটি মেধাবী শিশুকে শ্রেণিকক্ষে রাখে।