২০০৭ সাল থেকে অলাভজনক সংস্থা

মেধাবী মনের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।

হৃদয়ে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়, যেন পরিস্থিতি নয়, প্রতিভাই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।

১,৫০০+
শিক্ষার্থী এ পর্যন্ত সহায়তা পেয়েছে
১০০+
শিক্ষার্থী প্রতি বছর সহায়তা পায়
১০০%
অনুদান যায় শিক্ষায়
<১%
পরিচালন ব্যয়
আমরা যা করি

শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে বৃত্তি

উচ্চ বিদ্যালয়ের শুরু থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত, যাদের ফলাফল ভালো কিন্তু পরিবার অসহায়, আমরা তাদের পাশে আছি।

এসএসসি

এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে সহায়তা

আর্থিকভাবে অসচ্ছল এসএসসি পরীক্ষার্থীরা যেন রেজিস্ট্রেশন (ফরম পূরণ) ফি দিতে পারে, সেজন্য তহবিল সংগ্রহ। এই ফি বিশাল বোঝা হয়ে অনেককে মাঝপথে পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য করে।

নবম–দশম শ্রেণি

মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা

জেএসসি পরীক্ষায় ভালো করা শিক্ষার্থীরা যেন আর্থিক দুশ্চিন্তা ছাড়াই নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়তে পারে।

সমাজ

বস্তির শিশুদের শিক্ষা (স্বপ্নধারা স্কুল)

আমরা ঢাকাভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা স্বপ্নধারার সঙ্গে কাজ করি, যারা বস্তির শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা এবং মুদির প্যাকেট ও হস্তশিল্প তৈরির মতো বৃত্তিমূলক দক্ষতা শেখায়। স্কুলে আসতে উৎসাহ দিতে খাবার দেওয়া হয়।

কলেজ

মেধাবী শিক্ষার্থীদের কলেজ শিক্ষায় সহায়তা

এসএসসিতে ভালো ফল করা শিক্ষার্থীরা যেন আর্থিক চাপ ছাড়াই কলেজ শেষ করতে পারে।

ডিপ্লোমা

পলিটেকনিকে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের সহায়তা

বাংলাদেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি।

বিশ্ববিদ্যালয়

স্নাতকের স্বপ্ন: বিশ্ববিদ্যালয়ের বাধা পেরোতে সহায়তা

এসএসসি ও এইচএসসিতে ভালো ফল করেও স্নাতক পর্যায়ের খরচ চালাতে হিমশিম খাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা।

মেডিকেল

মেডিকেল শিক্ষার্থী কর্মসূচি

নিম্ন আয়ের পরিবারের যে মেধাবীরা চিকিৎসক হতে চায়, তাদের কঠিন পথচলায় মেডিকেলের বই, টিউশন ফি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের উচ্চ খরচ মেটাতে সহায়তা।

কীভাবে কাজ করে

সহজ, স্বচ্ছ, আন্তরিক

01

আমরা প্রতিভা খুঁজি

স্বেচ্ছাসেবকরা ভালো ফলাফল করা কিন্তু পরবর্তী ধাপের খরচ চালাতে অক্ষম শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে।

02

আপনি পাশে দাঁড়ান

একজন শিক্ষার্থী বা কর্মসূচি বেছে নিন। আপনার অনুদান প্রায় পুরোটাই শিক্ষায় ব্যয় হয়।

03

জীবন বদলে যায়

শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা চালিয়ে যায়, স্নাতক হয় এবং পরিবার ও সমাজকে এগিয়ে নেয়।

শিক্ষার্থীদের গল্প

প্রতিটি ফলাফলের পেছনে একটি স্বপ্ন

“নদীভাঙনে আমার পরিবার বিধ্বস্ত হওয়ার পর হৃদয়ে বাংলাদেশের আর্থিক সহায়তা আমার পড়াশোনাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাল্টিমিডিয়া ইউনিট (জেএনএমইউ) প্রতিষ্ঠা থেকে মানবজমিনের প্রতিবেদক হওয়া পর্যন্ত আমার সাংবাদিকতার পথ চলেছে ভালোবাসা দিয়ে। মায়ের স্বপ্ন পূরণে এখন পুরোদমে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।

আল-মামুনগণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, ৩য় বর্ষ · জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

“এই কঠিন সময় পেরোনো আমার সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি।”

আমি সবসময় ভালো ফল ধরে রেখেছি, কিন্তু তৃতীয় বর্ষে হঠাৎ অসুস্থতায় টিউশন বন্ধ করতে হয় এবং পড়াশোনা ঝুঁকিতে পড়ে। হৃদয়ে বাংলাদেশের বৃত্তি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া ও লক্ষ্যে পৌঁছানোর আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।

মোছা. ফাহমিদা খাতুনমৎস্য বিজ্ঞান, ৪র্থ বর্ষ · হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (এইচএসটিইউ)

“এই সহায়তা আমাকে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পড়তে এবং ভবিষ্যতের লক্ষ্যে এগোতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে।”

কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠায় আমি গর্বের সঙ্গে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছি। হৃদয়ে বাংলাদেশের বৃত্তি আমার পরিবারের আর্থিক চাপ অনেকটা কমিয়েছে এবং পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে সাহায্য করেছে।

মো. আরাফাত মাহমুদএইচএসসি ২০২৬

“আপনাদের মাসিক বৃত্তি আমার টিউশনের খরচ মিটিয়ে বড় সহায়তা দিচ্ছে।”

বগুড়ায় থেকে পড়াশোনা করা আমার পরিবারের জন্য বড় আর্থিক বোঝা। দশম শ্রেণির পর ভালো কলেজে ভর্তি হয়ে একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়াই আমার লক্ষ্য। আপনাদের সহায়তার জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং আমার ভবিষ্যতের জন্য দোয়া চাই।

রোকাইয়া সিনহানবম শ্রেণি, ইয়াকুবিয়া গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ · বগুড়া

সব গল্প পড়ুন →

দাতাদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার

সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবকদের দ্বারা পরিচালিত

হৃদয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি সদস্য স্বেচ্ছায় সময় দেন। তাই আমাদের পরিচালন ব্যয় ১%-এর নিচে।

  • প্রতিটি সদস্য স্বেচ্ছাসেবক।
  • অনুদানের ১০০% যায় শিক্ষায়।
  • পরিচালন ব্যয় ১%-এর নিচে।
  • যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেওয়া অনুদান কর-মুক্ত।
আমাদের নিউজলেটার থেকে

মাসিক নিউজলেটার

একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সাহায্য করুন

যেকোনো পরিমাণ অনুদান একটি মেধাবী শিশুকে শ্রেণিকক্ষে রাখে।